গাজীপুর সংবাদদাতা
বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে কৃষি খাতকে আরো উন্নত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এজন্য কৃষি ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। এক্ষেত্রে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
শনিবার (১১ জুলাই) গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়াম ‘নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের আর কোথাও নেই। এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে এই দেশ পিছিয়ে থাকবে না। তাই দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের জন্য সরকার শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছে।
তিনি আরো বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পর শিক্ষার্থীদের প্রায় দুই বছর সময় নষ্ট হয়ে যায়। যা আমাদের দেশের জন্য একটি বড় ক্ষতি। এর ফলে আমরা 'ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সফলভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পর শিক্ষার্থীদের কোনো সময় যেনো নষ্ট না হয় সেজন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যেনো কোন ধরনের সেশনজট না থাকে, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য (গাজীপুর-২) এম মঞ্জুরুল করিম রনি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং একটি গাছের চারা রোপণ করেন।